ইউটিউব ব্যবহারে মজার কিছু কৌশল!

237
Print Friendly, PDF & Email

এই মুহূর্তে সবচেয়ে বিশাল ভিডিও শেয়ারিং সার্ভার ইউটিউব। এমন কোন দিন নেই যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা একবার হলেও ইউটিউবে ঢু মারেন না। ১০০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী নিয়ে পৃথিবীর জনপ্রিয় ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম শীর্ষস্থানে রয়েছে ইউটিউব। এতে একজন ব্যবহারকারী গান, চলচ্চিত্র, বিভিন্ন শিক্ষণীয় ভিডিও ইত্যাদি পেয়ে থাকেন।

ব্যবহারকারীদের জন্য ক্রমান্বয়ে নানা ধরনের সুবিধা নিয়ে আসছে ইউটিউব। বিশাল এই ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের কিছু কৌশল জানা থাকলে সেগুলো যেকারও জন্যই তা অনেক সহায়ক হবে। ইউটিউব আপনার কাছে হয়ে উঠবে আরও উপভোগ্য।

 

এরকম কয়েকটি কৌশল হলো-

শুধু কি-বোর্ড ব্যবহারঃ ইউটিউব ব্যবহারের জন্য আপনাকে সবসময় মাউস ব্যবহার না করলেও চলবে। তবে সেক্ষেত্রে কি-বোর্ডের ব্যবহার জানতে হবে। আপনি যদি স্ট্যান্ডার্ড মডেলে ইউটিউব ব্যবহার করেন তাহলে কি-বোর্ডের শর্টকাটগুলো হবে নিচের মতো-
কি-বোর্ডের কে (K) বাটনের সাহায্যে আপনি ভিডিও শুরু এবং থামিয়ে রাখতে পারবেন। জে (J) এবং এল (L) -এর সাহায্যে ভিডিও যথাক্রমে ১০ সেকেন্ড ব্যাকওয়ার্ড এবং ফরওয়ার্ড করা যায়। এম (M) চাপলে ভিডিও মিউট বা শব্দহীন হবে। যেকোনও জায়গা থেকে ভিডিওর একেবারে শুরুতে যেতে হলে আপনাকে জিরো (0) বাটন চাপতে হবে। এ ছাড়াও কি-বোর্ডের এক (1) থেকে নয় (9) সংখ্যাগুলোর মধ্য থেকে যেকোনও একটি সিলেক্ট করলে আপনি ভিডিওটির নির্দিষ্ট অংশে চলে যাবেন। যেমন সাত (7) চাপলে আপনি ভিডিওটির ৭০ শতাংশ জায়গায় চলে যাবেন।
পরবর্তীতে দেখার জন্য সংরক্ষণঃ খুব মজার কিংবা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিডিও পেয়েছেন। কিন্তু দেখার সময় নেই। কি করবেন তখন? চিন্তা নেই। কারণ এটা আপনি পরবর্তীতে দেখার জন্য সংরক্ষণ করতে পারবেন। সেজন্য ‘+ Add To’ অপশন সিলেক্ট করে ‘Watch Later’ অপশনটি নির্বাচন করলেই হবে।

ভিডিও লুপঃ ইউটিউবে সর্বশেষ যে ফিচারটি সংযোজিত হয়েছে তা হলো ভিডিও লুপ। এর সাহায্যে ব্যবহারকারী স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ভিডিও একাধিকবার দেখতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে শুধু ভিডিওটি ওপেন করে এর ওপর কার্সর রেখে রাইট বাটন ক্লিক করতে হবে। তারপর সেখান থেকে লুপ অপশন সিলেক্ট করতে হবে।

অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রাখাঃ আপনি ইউটিউবে কি করছেন সেটা যদি অন্য কাউকে না জানাতে চান তাহলে আপনার ইউটিউব সম্পর্কিত সব তথ্য গোপন রাখতে পারবেন। এজন্য প্রথমেই আপনি ইউটিউবে লগ ইন করুন। তারপর অ্যাড্রেসবারে ‘www.youtube.com/account_privacy’ এটা টাইপ করুন এবং সেখান থেকে আপনার যেগুলো দরকার সেসব বিষয় সিলেক্ট করলেই আপনার এই কার্যক্রম আর কেউ দেখতে পাবে না।

রেস্ট্রিকটেড ভিডিও দেখাঃ যেসব ভিডিও দেখার অনুমতি সবার নেই কিংবা যেগুলো শর্তসাপেক্ষে আটকে রাখা হয়েছে সেসব ভিডিও আপনি কৌশলে দেখতে পারবেন। এজন্য শুধু ইউআরএল- টিকে একটু বদলে দিতে হবে। ইউআরএল-এ ‘/watch?v=’ অংশটা মুছে দিয়ে এর জায়গায় ‘/v/’ যোগ করতে হবে। এরপর ব্যবহারকারী কোনও ধরনের লগ-ইন ছাড়াই ভিডিও দেখতে পাবে।

ডিফল্ট ভিডিও রেজুলেশন সেট করাঃ আপনার যদি ধীরগতির ইন্টারনেট সংযোগ থাকে এবং বাফারিং-এর যন্ত্রণা এড়িয়ে চলতে চান তাহলে আপনাকে একটি নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। তা হলো প্রথমেই আপনাকে ‘www.youtube.com/account_playback’ এই অপশনে যেতে হবে। তারপর সেখান থেকে ‘I have a slow internet connection. Never play higher-quality video.’ এই অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে।

ভিডিও প্লেব্যাক স্পিড পরিবর্তনঃআপনি যদি কখনও ভিডিওর গতি কমানো বা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তাহলে প্রথমেই আপনাকে ভিডিওর সেটিংস অপশনে যেতে হবে। তারপর সেখান থেকে স্পিড অপশনে গিয়ে গতি বাড়ানো বা কমানো যাবে।

নির্দিষ্ট আর্টিস্ট নির্বাচনঃ যদি আপনি নির্দিষ্ট আর্টিস্টের গান বা ভিডিও চান তাহলে প্রথমে হ্যাশ (#) টাইপ করে তারপর ওই আর্টিস্টের নাম টাইপ করে এন্টার চাপুন। যেমন: #Taylor Swift। এতে করে শুধু এই নির্দিষ্ট আর্টিস্টের গান বা ভিডিও-ই আসবে।