সাতক্ষীরা ০৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ৯ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মেঘালয়ে মোদির জনসভার অনুমতি খারিজ, বিজেপির ক্ষোভ

পিসিবার্তা ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৫৫ বার পঠিত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী প্রচারে মেঘালয় প্রশাসনের বাধার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ২৪ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ তুরা জেলায় পিএ সাংমা স্টেডিয়ামে মোদির জনসভা হওয়ার কথা। কিন্তু সেই জনসমাবেশ আয়োজনের অনুমতি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দলটি।

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মেঘালয়ে বিধানসভা নির্বাচন। পালা করে মেঘালয় যাচ্ছেন বিজেপির শীর্ষনেতারা। তেমনই আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শিলং ও তুরায় প্রচারে যাওয়ার কথা মোদির। কিন্তু মেঘালয়ের ক্রীড়াদপ্তরের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পিএ সাংমা স্টেডিয়ামে কোনো জনসভার আয়োজন করা যাবে না। তাদের দাবি, ওই স্টেডিয়ামে নির্মাণকাজ চলছে। অনেক নির্মাণ সামগ্রীও সেখানে রাখা আছে, যা প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তা ছাড়া মোদির সভায় বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবেই সেখানে সভা আয়োজনের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।

তবে বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাব দিয়েছে ক্রীড়াদপ্তর। জানানো হয়েছে, পিএ সাংমার পরিবর্তে আলোটগ্রে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সভার আয়োজন করা যেতে পারে। যদিও সেখানে আদৌ জনসভা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। যদিও বিজেপির জাতীয় সম্পাদক ঋতুরাজ সিনহা স্পষ্ট বলে দেন, ভেন্যু চূড়ান্ত না হলেও নির্ধারিত দিনেই মোদির জনসভা হবে।

সিনহা বলেন, ‘মোদি যখন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তখন কোনোভাবেই তাকে রোখা যাবে না।’ পাশাপাশি স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, উদ্বোধনের দুই মাস পরই মোদির জনসমাবেশের আয়োজনে ব্যর্থ স্টেডিয়াম। যা মেনে নেওয়া যায় না।

তবে এর নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও দেখছে বিজেপি। ঋতুরাজ প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কনরাড সাংঘা ও মুকুল সাংমা কি বিজেপিকে ভয় পাচ্ছে? মেঘালয়ে গেরুয়া ঝড় রোখার চেষ্টাতেই কি এসব করা হচ্ছে?’ তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা চাইলে মোদির সভা বন্ধ করতে পারেন। কিন্তু মেঘালয়ের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে (বিজেপিকে সমর্থনের)।’

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর এনপিপি ও বিজেপি জোট সরকার গড়ে মেঘালয়ে। কিন্তু ইতিমধ্যেই তা ভেঙে গেছে। এবার একাই লড়বে গেরুয়া শিবির। জোট ভাঙার পর থেকেই এনপিপির বিরুদ্ধে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। আর তারই মধ্যে মোদির সভার অনুমতি না মেলায় নতুন করে আক্রমণ করছে বিজেপি।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

ট্যাগস :

মেঘালয়ে মোদির জনসভার অনুমতি খারিজ, বিজেপির ক্ষোভ

আপডেট সময় : ১২:৩০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী প্রচারে মেঘালয় প্রশাসনের বাধার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ২৪ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ তুরা জেলায় পিএ সাংমা স্টেডিয়ামে মোদির জনসভা হওয়ার কথা। কিন্তু সেই জনসমাবেশ আয়োজনের অনুমতি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দলটি।

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মেঘালয়ে বিধানসভা নির্বাচন। পালা করে মেঘালয় যাচ্ছেন বিজেপির শীর্ষনেতারা। তেমনই আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শিলং ও তুরায় প্রচারে যাওয়ার কথা মোদির। কিন্তু মেঘালয়ের ক্রীড়াদপ্তরের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পিএ সাংমা স্টেডিয়ামে কোনো জনসভার আয়োজন করা যাবে না। তাদের দাবি, ওই স্টেডিয়ামে নির্মাণকাজ চলছে। অনেক নির্মাণ সামগ্রীও সেখানে রাখা আছে, যা প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তা ছাড়া মোদির সভায় বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবেই সেখানে সভা আয়োজনের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।

তবে বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাব দিয়েছে ক্রীড়াদপ্তর। জানানো হয়েছে, পিএ সাংমার পরিবর্তে আলোটগ্রে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সভার আয়োজন করা যেতে পারে। যদিও সেখানে আদৌ জনসভা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। যদিও বিজেপির জাতীয় সম্পাদক ঋতুরাজ সিনহা স্পষ্ট বলে দেন, ভেন্যু চূড়ান্ত না হলেও নির্ধারিত দিনেই মোদির জনসভা হবে।

সিনহা বলেন, ‘মোদি যখন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তখন কোনোভাবেই তাকে রোখা যাবে না।’ পাশাপাশি স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, উদ্বোধনের দুই মাস পরই মোদির জনসমাবেশের আয়োজনে ব্যর্থ স্টেডিয়াম। যা মেনে নেওয়া যায় না।

তবে এর নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও দেখছে বিজেপি। ঋতুরাজ প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কনরাড সাংঘা ও মুকুল সাংমা কি বিজেপিকে ভয় পাচ্ছে? মেঘালয়ে গেরুয়া ঝড় রোখার চেষ্টাতেই কি এসব করা হচ্ছে?’ তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা চাইলে মোদির সভা বন্ধ করতে পারেন। কিন্তু মেঘালয়ের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে (বিজেপিকে সমর্থনের)।’

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর এনপিপি ও বিজেপি জোট সরকার গড়ে মেঘালয়ে। কিন্তু ইতিমধ্যেই তা ভেঙে গেছে। এবার একাই লড়বে গেরুয়া শিবির। জোট ভাঙার পর থেকেই এনপিপির বিরুদ্ধে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। আর তারই মধ্যে মোদির সভার অনুমতি না মেলায় নতুন করে আক্রমণ করছে বিজেপি।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন