সাতক্ষীরা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পেরিয়ে গেলাম শিল্প-সংস্কৃতির শহর লখনৌ

পিসিবার্তা ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩ ১৭৪ বার পঠিত

পেরিয়ে গেলাম শিল্প-সংস্কৃতির শহর লখনৌ!
—– —-
সুপ্রভাত!
সকালটা শুরু হলো উত্তর প্রদেশের লখনৌ’র সৌন্দর্য উপভোগোর মধ্য দিয়ে। গত রাত ২টায় (বিকাল ৫টায় বিহারের সিডিসি স্টেশন থেকে একদল বিণা টিকিটের লোক ট্রেন দখল করে নেয়। নিজের সিটে নিজের বসার অধিকা হারানোর দশা! সে যন্ত্রণা পাটনায় হাল্কা হণেও অবসান হয় বেনারস পৌছে) বেনারস স্টেশন ছাড়ার পর ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। টিকিট কাটার ফেরে পড়ে ট্রেনে তপতী আর আমার কামরার ব্যবধান ছিল হফ কিলোর মতো। একজন উদর ভারতীয়ের বদন্যতায় দু’জনের ব্যবধান কমিয়ে শূন্যে আনা সম্ভব হয়েছিল। এখন একই স্থানে ওপরে-নীচে।
আমাদের ট্রেন আবার দাঁড়াবে আড়াই শত কিমি দূরে বেরিলীতে। যাক সে কথা, এখন আবারও লখনৌতে আসি-

লখনৌ বা লখনউ বা লক্ষ্ণৌ
উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউ, গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত একটি সমৃদ্ধ শহর। আজ লখনউ এর সমৃদ্ধ, সাংস্কৃতিক অতীতের স্মৃতি চিহ্নযুক্ত যা ভারত বিখ্যাত। লখনউ এর রান্না এবং চিকনকারীর জন্য বা সূক্ষ্ম মসলিনের কাপড়ের উপর ছায়াছবির-সূক্ষ্ম সূচিকর্মের জন্যও পরিচিত। উত্তর ভারতের শিল্প, রান্নার ঘরনা, নৃত্য, সংস্কৃতি এবং সংগীতের কেন্দ্রস্থল লখনউ।
এটি হিন্দু-মুসলিম-শিখ এর সমন্বয়ের স্থান যা ভারতকে দুর্দান্ত করে তুলেছে। এরা বিভিন্ন সংস্কৃতির সেরা আনয়ন করেছিল এবং তার গর্ভে গড়ে উঠেছে লা মার্টিনিয়ারের মতো পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলি। লখনউ উর্দু, হিন্দুস্তানি এবং হিন্দি ভাষার আবাসস্থল।
প্রাচীনকালে শহরটি উর্দু কবিতা এবং রচনার কেন্দ্র হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছিল, বহু কবিদের জন্মস্থান এবং আবাসনের শহর হিসাবে মনে করা হয় লখনউকে।
লখনৌ ভারতবর্ষের তথ্যপ্রযুক্তি বিদ্যা, বাণিজ্য, মহাকাশ চর্চা, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং ঔষধপত্রের বিদ্যা সংক্রান্ত প্রধান কেন্দ্র হল উত্তর প্রদেশ রাজ্যের রাজধানী লখনৌ। শুধু তাই নয়, খাঁটি কাবাব এবং বিরিয়ানির জন্যও লখনৌ সমানভাবে জনপ্রিয়।
তবে এই সবকিছুর মধ্যেও লখনৌর ঐতিহ্য হল বাড়া ইমামবাড়া, স্থাপত্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তির মেলবন্ধন; স্থাপত্যরীতির এক অপূর্ব নির্মাণ।

বড় ইমামবাড়া

ট্যাগস :

পেরিয়ে গেলাম শিল্প-সংস্কৃতির শহর লখনৌ

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩

পেরিয়ে গেলাম শিল্প-সংস্কৃতির শহর লখনৌ!
—– —-
সুপ্রভাত!
সকালটা শুরু হলো উত্তর প্রদেশের লখনৌ’র সৌন্দর্য উপভোগোর মধ্য দিয়ে। গত রাত ২টায় (বিকাল ৫টায় বিহারের সিডিসি স্টেশন থেকে একদল বিণা টিকিটের লোক ট্রেন দখল করে নেয়। নিজের সিটে নিজের বসার অধিকা হারানোর দশা! সে যন্ত্রণা পাটনায় হাল্কা হণেও অবসান হয় বেনারস পৌছে) বেনারস স্টেশন ছাড়ার পর ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। টিকিট কাটার ফেরে পড়ে ট্রেনে তপতী আর আমার কামরার ব্যবধান ছিল হফ কিলোর মতো। একজন উদর ভারতীয়ের বদন্যতায় দু’জনের ব্যবধান কমিয়ে শূন্যে আনা সম্ভব হয়েছিল। এখন একই স্থানে ওপরে-নীচে।
আমাদের ট্রেন আবার দাঁড়াবে আড়াই শত কিমি দূরে বেরিলীতে। যাক সে কথা, এখন আবারও লখনৌতে আসি-

লখনৌ বা লখনউ বা লক্ষ্ণৌ
উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউ, গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত একটি সমৃদ্ধ শহর। আজ লখনউ এর সমৃদ্ধ, সাংস্কৃতিক অতীতের স্মৃতি চিহ্নযুক্ত যা ভারত বিখ্যাত। লখনউ এর রান্না এবং চিকনকারীর জন্য বা সূক্ষ্ম মসলিনের কাপড়ের উপর ছায়াছবির-সূক্ষ্ম সূচিকর্মের জন্যও পরিচিত। উত্তর ভারতের শিল্প, রান্নার ঘরনা, নৃত্য, সংস্কৃতি এবং সংগীতের কেন্দ্রস্থল লখনউ।
এটি হিন্দু-মুসলিম-শিখ এর সমন্বয়ের স্থান যা ভারতকে দুর্দান্ত করে তুলেছে। এরা বিভিন্ন সংস্কৃতির সেরা আনয়ন করেছিল এবং তার গর্ভে গড়ে উঠেছে লা মার্টিনিয়ারের মতো পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলি। লখনউ উর্দু, হিন্দুস্তানি এবং হিন্দি ভাষার আবাসস্থল।
প্রাচীনকালে শহরটি উর্দু কবিতা এবং রচনার কেন্দ্র হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছিল, বহু কবিদের জন্মস্থান এবং আবাসনের শহর হিসাবে মনে করা হয় লখনউকে।
লখনৌ ভারতবর্ষের তথ্যপ্রযুক্তি বিদ্যা, বাণিজ্য, মহাকাশ চর্চা, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং ঔষধপত্রের বিদ্যা সংক্রান্ত প্রধান কেন্দ্র হল উত্তর প্রদেশ রাজ্যের রাজধানী লখনৌ। শুধু তাই নয়, খাঁটি কাবাব এবং বিরিয়ানির জন্যও লখনৌ সমানভাবে জনপ্রিয়।
তবে এই সবকিছুর মধ্যেও লখনৌর ঐতিহ্য হল বাড়া ইমামবাড়া, স্থাপত্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তির মেলবন্ধন; স্থাপত্যরীতির এক অপূর্ব নির্মাণ।

বড় ইমামবাড়া