সাতক্ষীরা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন সাংসদ তৃণমূলের সায়নী ঘোষ!

পিসিবার্তা ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪ ২৪ বার পঠিত

এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন তৃণমূলের সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!

পরনে নীল রঙা হ্যান্ডলুম শাড়ি, চোখে রোদচশমা। গরম থেকে বাঁচতে টেনে বাঁধা হাত খোঁপা ভরসা। সাংসদের পরিচিতি গলায় ঝুলিতে দিল্লি মেট্রোয় সায়নী ঘোষ। শুক্রবার, সংসদ অধিবেশনের পঞ্চম দিনে ঠিক এইভাবেই সংসদ ভবনে পৌঁছান যাদপপুরের তৃণমূল সাংসদ।

দিল্লির শিবাজি পার্ক স্টেশন থেকে মেট্রোয় ওঠেন তারকা সাংসদ। প্রায় ৪০ মিনিটের মেট্রো সফরের পর নামেন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে। ‘আদ আদমি’র মতো মেট্রো চেপে সায়নীর সংসদে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় হু হু করে ভাইরাল হয় এদিন সন্ধ্যায়।

এখন আর তাঁর পরিচিতি শুধু নায়িকা নন। জনপ্রতিনিধি তিনি। যাদবপুরের মানুষের ‘হক’ আদায়ের জিম্মা তাঁর কাঁধে সঁপেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সাংগঠিনক দায়িত্বে আসার পর থেকে চলনে-বলনে মমতার ‘মিনি ভার্সন’ হয়ে উঠেছেন সায়নী।

Hindustan Times Bangla News
Sign In
এক নজরে সব খবর
জনপ্রিয়
ক্রিকেট
বাংলার মুখ
ভাগ্যলিপি
ফুটবলের মহারণ
বায়োস্কোপ
ছবিঘর
কলকাতা
কর্মখালি
ওয়েবস্টোরি
টুকিটাকি
বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Saayoni Ghosh: ‘এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন তৃণমূলের সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!

Saayoni Ghosh: ‘এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন তৃণমূলের সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!
২ মিনিটে পড়ুন . Updated: 28 Jun 2024, 10:49 PM IST
Priyanka Mukherjee
twitter
Facebook
Whastapp
গুগল নিউজে আমাদের পড়ুন
‘এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!
‘এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!
Saayoni Ghosh in Metro: লাইফ ইন এ মেট্রো! পার্লামেন্ট যেতে দামী গাড়ি নয়, সায়নীর ভরসা পাবলিক ট্রান্সপোর্ট।

পরনে নীল রঙা হ্যান্ডলুম শাড়ি, চোখে রোদচশমা। গরম থেকে বাঁচতে টেনে বাঁধা হাত খোঁপা ভরসা। সাংসদের পরিচিতি গলায় ঝুলিতে দিল্লি মেট্রোয় সায়নী ঘোষ। শুক্রবার, সংসদ অধিবেশনের পঞ্চম দিনে ঠিক এইভাবেই সংসদ ভবনে পৌঁছান যাদপপুরের তৃণমূল সাংসদ। আরও পড়ুন-মধ্যমণি কল্যাণ, সংসদে পা রেখেই সেলফি মুডে, নুসরত-মিমিদের ‘ভুল’ রিপিট করলেন না সায়নী-রচনারা

দিল্লির শিবাজি পার্ক স্টেশন থেকে মেট্রোয় ওঠেন তারকা সাংসদ। প্রায় ৪০ মিনিটের মেট্রো সফরের পর নামেন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে। ‘আদ আদমি’র মতো মেট্রো চেপে সায়নীর সংসদে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় হু হু করে ভাইরাল হয় এদিন সন্ধ্যায়।

এখন আর তাঁর পরিচিতি শুধু নায়িকা নন। জনপ্রতিনিধি তিনি। যাদবপুরের মানুষের ‘হক’ আদায়ের জিম্মা তাঁর কাঁধে সঁপেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সাংগঠিনক দায়িত্বে আসার পর থেকে চলনে-বলনে মমতার ‘মিনি ভার্সন’ হয়ে উঠেছেন সায়নী।

 

প্রচারের সময় ‘অতি সাধারণ’ ইমেজ তুলে ধরেছিলেন সায়নী ঘোষ, ভোটে জিতেও একইরকম তিনি। অথচ এর জন্য় কম ট্রোলিং-এর মুখে পড়লেন না নবনির্বাচিত সাংসদ। একজন নেটিজেন লেখেন, ‘ভেবেছিল বাংলার মতো ওখানেও ওকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাই ভেবে মেট্রো তে চড়েছিল। কিন্তু ওখানে ওকে কেউ বসতেই দেয়নি।’ অপর একজন কটাক্ষের সুরে লেখেন, ‘সব ভণ্ডামি। এরা নিজেই ফটো তোলায় মিথ্যা পাবলিসিটির জন্য।’ আরেকজন ট্রোল করে লেখেন, ‘ওকে তো কলকাতারই কেউ চেনে না। দিল্লির মানুষ চিনবে কী করে?’

বাংলার রাজনীতিতে সায়নীর উত্থান বিদ্যুৎ গতিতে। ‘২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘বামঘেঁষা’ সায়নী ঘাসফুলে যোগ দেন। ভোটে লড়ে হেরে যান সায়নী। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই মমতার সুনজরে আসেন নিজের কাজের মাধ্যমে। সময় যত গড়িয়েছে ততই বাংলার রাজনীতিতে নিজের গুরুত্ব বাড়িয়েছেন সায়নী।

সমাজমাধ্যমে জয় শ্রীরাম স্লোগানের বিরোধিতা করায় যখন গেরুয়া শিবিরের রোষে পড়েছিলেন সায়নী, তখন তাঁর পাশে দাঁড়ান মমতা। এরপরই বামমনস্ক সায়নীর সঙ্গে মমতার নৈকট্য় বাড়ে। ধীরে ধীরে পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ হয়ে উঠেছেন সায়নী। একুশের বিধানসভা ভোটের সময়ে সায়নী ঘোষের পোস্ট করা ‘শিবলিঙ্গে কন্ডোম’ টুইট নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছিল। এবারেও তার অন্য়থা হয়নি। অতীত বিতর্কের ‘অভিশাপ’ ঘোচাতেই বোধহয় লোকসভা ভোটের প্রচারের সময়ে একাধিকবার শিবলিঙ্গের পুজো করেছেন সায়নী। এমনকী সাংসদ পদ জেতার শংসাপত্র সবার প্রথম শিবের পায়েই অর্পণ করেছেন তৃণমূলের এই তরুণ তুর্কী। ভোটে জিতে এখন পার্লামেন্টে সায়নী। যাদবপুরবাসীকে দেওয়া কথা রাখবেন তিনি, আশা সক্কলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন সাংসদ তৃণমূলের সায়নী ঘোষ!

আপডেট সময় : ১০:২৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪

এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন তৃণমূলের সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!

পরনে নীল রঙা হ্যান্ডলুম শাড়ি, চোখে রোদচশমা। গরম থেকে বাঁচতে টেনে বাঁধা হাত খোঁপা ভরসা। সাংসদের পরিচিতি গলায় ঝুলিতে দিল্লি মেট্রোয় সায়নী ঘোষ। শুক্রবার, সংসদ অধিবেশনের পঞ্চম দিনে ঠিক এইভাবেই সংসদ ভবনে পৌঁছান যাদপপুরের তৃণমূল সাংসদ।

দিল্লির শিবাজি পার্ক স্টেশন থেকে মেট্রোয় ওঠেন তারকা সাংসদ। প্রায় ৪০ মিনিটের মেট্রো সফরের পর নামেন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে। ‘আদ আদমি’র মতো মেট্রো চেপে সায়নীর সংসদে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় হু হু করে ভাইরাল হয় এদিন সন্ধ্যায়।

এখন আর তাঁর পরিচিতি শুধু নায়িকা নন। জনপ্রতিনিধি তিনি। যাদবপুরের মানুষের ‘হক’ আদায়ের জিম্মা তাঁর কাঁধে সঁপেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সাংগঠিনক দায়িত্বে আসার পর থেকে চলনে-বলনে মমতার ‘মিনি ভার্সন’ হয়ে উঠেছেন সায়নী।

Hindustan Times Bangla News
Sign In
এক নজরে সব খবর
জনপ্রিয়
ক্রিকেট
বাংলার মুখ
ভাগ্যলিপি
ফুটবলের মহারণ
বায়োস্কোপ
ছবিঘর
কলকাতা
কর্মখালি
ওয়েবস্টোরি
টুকিটাকি
বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Saayoni Ghosh: ‘এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন তৃণমূলের সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!

Saayoni Ghosh: ‘এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন তৃণমূলের সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!
২ মিনিটে পড়ুন . Updated: 28 Jun 2024, 10:49 PM IST
Priyanka Mukherjee
twitter
Facebook
Whastapp
গুগল নিউজে আমাদের পড়ুন
‘এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!
‘এখানেই কেউ চেনে না…’, মেট্রো চেপে সংসদে গেলেন সায়নী, হলেন কটাক্ষের শিকার!
Saayoni Ghosh in Metro: লাইফ ইন এ মেট্রো! পার্লামেন্ট যেতে দামী গাড়ি নয়, সায়নীর ভরসা পাবলিক ট্রান্সপোর্ট।

পরনে নীল রঙা হ্যান্ডলুম শাড়ি, চোখে রোদচশমা। গরম থেকে বাঁচতে টেনে বাঁধা হাত খোঁপা ভরসা। সাংসদের পরিচিতি গলায় ঝুলিতে দিল্লি মেট্রোয় সায়নী ঘোষ। শুক্রবার, সংসদ অধিবেশনের পঞ্চম দিনে ঠিক এইভাবেই সংসদ ভবনে পৌঁছান যাদপপুরের তৃণমূল সাংসদ। আরও পড়ুন-মধ্যমণি কল্যাণ, সংসদে পা রেখেই সেলফি মুডে, নুসরত-মিমিদের ‘ভুল’ রিপিট করলেন না সায়নী-রচনারা

দিল্লির শিবাজি পার্ক স্টেশন থেকে মেট্রোয় ওঠেন তারকা সাংসদ। প্রায় ৪০ মিনিটের মেট্রো সফরের পর নামেন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে। ‘আদ আদমি’র মতো মেট্রো চেপে সায়নীর সংসদে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় হু হু করে ভাইরাল হয় এদিন সন্ধ্যায়।

এখন আর তাঁর পরিচিতি শুধু নায়িকা নন। জনপ্রতিনিধি তিনি। যাদবপুরের মানুষের ‘হক’ আদায়ের জিম্মা তাঁর কাঁধে সঁপেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সাংগঠিনক দায়িত্বে আসার পর থেকে চলনে-বলনে মমতার ‘মিনি ভার্সন’ হয়ে উঠেছেন সায়নী।

 

প্রচারের সময় ‘অতি সাধারণ’ ইমেজ তুলে ধরেছিলেন সায়নী ঘোষ, ভোটে জিতেও একইরকম তিনি। অথচ এর জন্য় কম ট্রোলিং-এর মুখে পড়লেন না নবনির্বাচিত সাংসদ। একজন নেটিজেন লেখেন, ‘ভেবেছিল বাংলার মতো ওখানেও ওকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাই ভেবে মেট্রো তে চড়েছিল। কিন্তু ওখানে ওকে কেউ বসতেই দেয়নি।’ অপর একজন কটাক্ষের সুরে লেখেন, ‘সব ভণ্ডামি। এরা নিজেই ফটো তোলায় মিথ্যা পাবলিসিটির জন্য।’ আরেকজন ট্রোল করে লেখেন, ‘ওকে তো কলকাতারই কেউ চেনে না। দিল্লির মানুষ চিনবে কী করে?’

বাংলার রাজনীতিতে সায়নীর উত্থান বিদ্যুৎ গতিতে। ‘২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘বামঘেঁষা’ সায়নী ঘাসফুলে যোগ দেন। ভোটে লড়ে হেরে যান সায়নী। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই মমতার সুনজরে আসেন নিজের কাজের মাধ্যমে। সময় যত গড়িয়েছে ততই বাংলার রাজনীতিতে নিজের গুরুত্ব বাড়িয়েছেন সায়নী।

সমাজমাধ্যমে জয় শ্রীরাম স্লোগানের বিরোধিতা করায় যখন গেরুয়া শিবিরের রোষে পড়েছিলেন সায়নী, তখন তাঁর পাশে দাঁড়ান মমতা। এরপরই বামমনস্ক সায়নীর সঙ্গে মমতার নৈকট্য় বাড়ে। ধীরে ধীরে পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ হয়ে উঠেছেন সায়নী। একুশের বিধানসভা ভোটের সময়ে সায়নী ঘোষের পোস্ট করা ‘শিবলিঙ্গে কন্ডোম’ টুইট নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছিল। এবারেও তার অন্য়থা হয়নি। অতীত বিতর্কের ‘অভিশাপ’ ঘোচাতেই বোধহয় লোকসভা ভোটের প্রচারের সময়ে একাধিকবার শিবলিঙ্গের পুজো করেছেন সায়নী। এমনকী সাংসদ পদ জেতার শংসাপত্র সবার প্রথম শিবের পায়েই অর্পণ করেছেন তৃণমূলের এই তরুণ তুর্কী। ভোটে জিতে এখন পার্লামেন্টে সায়নী। যাদবপুরবাসীকে দেওয়া কথা রাখবেন তিনি, আশা সক্কলের।