সাতক্ষীরা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ট্রেনে ঢাকা থেকে মাত্র তিন ঘণ্টায় পৌছানো যাবে খুলনায়

পিসিবার্তা ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪ ১০১ বার পঠিত

পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রথমাংশে সেতু হয়ে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চলছে। আসছে জুলাইয়ে ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু করবে।

ফলে এ রুটের দূরত্ব ৩৬৭ কিলোমিটার থেকে কমছে ১৯৫ কিলোমিটার। নতুন দূরত্ব কমে দাঁড়াবে ১৭২ কিলোমিটারে। এর আগে এ রুটের যাতায়াতে ট্রেনগুলোর সময় লাগতো কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা। আর এখন পরিবর্তিত সময়ে ঢাকা থেকে যশোর যেতে লাগবে সোয়া ২ ঘণ্টা এবং ঢাকা থেকে খুলনা ও ঢাকা থেকে বেনাপোল পর্যন্ত যেতে লাগবে তিন ঘণ্টা সময়।

একইসঙ্গে বর্তমানে ঢাকা-খুলনা রুটে চলাচলকারী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও চিত্রা এক্সপ্রেস, বেনাপোলগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস রুট পরিবর্তন করে নতুন রুটে চলাচল করবে। একইসঙ্গে আরও একটি নতুন রেক( ট্রেন বডি) এ রুটে যুক্ত হবে।

এই চারটি রেক (ট্রেন বডি) দিয়ে মোট ৮ জোড়া ট্রেন পরিচালনা করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।  এর মধ্যে ঢাকা-যশোর-খুলনা রুটে চারটি, ঢাকা-ফরিদপুর-দর্শনা রুটে দুইটি, ঢাকা-গোপালগঞ্জ-গোবরা রুটে একটি এবং ঢাকা-বেনাপোল রুটে একটি ট্রেন চলাচল করবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে সদরদপ্তরে পাঠানো রেলওয়ে (পশ্চিমাঞ্চল) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, খুলনা-ঢাকা রুটে প্রথম ট্রেনটি খুলনা থেকে ৬টায় ছেড়ে ঢাকায় আসবে সকাল ৯ টায় এবং ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়ে পৌঁছাবে দুপুর সাড়ে ১২টায়।

অন্যদিকে ঢাকা-খুলনা রুটে প্রথম ট্রেনটি ঢাকা থেকে ৬টায় ছেড়ে খুলনায় আসবে সকাল ৯টায় এবং ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৯ টায় খুলনা থেকে ছেড়ে গিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে দুপুর সাড়ে ১২টায়।

খুলনা-ঢাকা রুটে তৃতীয় ট্রেনটি ঢাকা থেকে দুপুর ১টায় খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়ে পৌঁছাবে বিকাল ৪টায়। আর ফিরতি ট্রেনটি রাত সাড়ে ৭টায় খুলনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়ে পৌঁছাবে সকালে সাড়ে দশটায়।

চতুর্থ ট্রেনটি খুলনা থেকে ১২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং ঢাকায় পৌঁছাবে বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিটে।  ঢাকা থেকে দুপুর একটায় ছেড়ে গিয়ে খুলনায় পৌঁছাবে বিকাল ৪ টায়।

আর ঢাকা-বেনাপোল রুটে বেনাপোল এক্সপ্রেস সকাল ১০ টায় ঢাকা থেকে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়ে পৌঁছাবে দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে এবং বেনাপোল থেকে দুপুর ৩ টায় ছেড়ে গিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে।

ঢাকা-খুলনা রুটের মতো ঢাকা-দর্শনা রুটে ট্রেন থাকছে দুইটি। ঢাকা-দর্শনা রুটে প্রথম ট্রেনটি দর্শনা থেকে সকাল সাতটায় ছেড়ে ঢাকা পৌঁছাবে ১২টায় এবং ঢাকা থেকে দুপুর ১টায় ছেড়ে দিয়ে দর্শনায় পৌঁছাবে বিকাল ৪টায়।

দ্বিতীয় ট্রেনটি ঢাকা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টায় ছেড়ে গিয়ে দর্শনায় পৌঁছাবে ৯টা ৪০ মিনিটে এবং দর্শনা থেকে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে পরদিন সকাল ৫ টায়।

আর ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের গোবরা রুটের ট্রেনটি সকাল ৬টায় ছেড়ে এসে ঢাকায় পৌঁছাবে সকাল সাড়ে আটটায়। আর ঢাকা থেকে সন্ধ্যা ৬টায় ছেড়ে গিয়ে রাত সাড়ে ৮টায় গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে।

এই ট্রেনগুলোর জন্যে যশোরের পদ্মবিলা স্টেশন থেকে কোটচাঁদপুর, কোটচাঁদপুর-যশোর, পদ্মবিলা-খুলনা রুটে শাটল ট্রেনের মাধ্যমে অন্য এলাকার যাত্রীদের সুবিধা দিবে রেলওয়ে।

সাতক্ষীরায় রেলের দাবী

বেনাপোল-সাতক্ষীরা-সুন্দরবন রেলসংযোগ সাতক্ষীরাবাসী দীর্ঘ্য দিনের দাবী। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুিত থাকার পরেও সে দাবী পূরণ হয়নি। দাবী আদায়ে জাসদ-বাসের মতো রাজৈতিক দলের পাশাপাশি সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ট্রেনে ঢাকা থেকে মাত্র তিন ঘণ্টায় পৌছানো যাবে খুলনায়

আপডেট সময় : ০২:৩৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪

পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রথমাংশে সেতু হয়ে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চলছে। আসছে জুলাইয়ে ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু করবে।

ফলে এ রুটের দূরত্ব ৩৬৭ কিলোমিটার থেকে কমছে ১৯৫ কিলোমিটার। নতুন দূরত্ব কমে দাঁড়াবে ১৭২ কিলোমিটারে। এর আগে এ রুটের যাতায়াতে ট্রেনগুলোর সময় লাগতো কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা। আর এখন পরিবর্তিত সময়ে ঢাকা থেকে যশোর যেতে লাগবে সোয়া ২ ঘণ্টা এবং ঢাকা থেকে খুলনা ও ঢাকা থেকে বেনাপোল পর্যন্ত যেতে লাগবে তিন ঘণ্টা সময়।

একইসঙ্গে বর্তমানে ঢাকা-খুলনা রুটে চলাচলকারী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও চিত্রা এক্সপ্রেস, বেনাপোলগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস রুট পরিবর্তন করে নতুন রুটে চলাচল করবে। একইসঙ্গে আরও একটি নতুন রেক( ট্রেন বডি) এ রুটে যুক্ত হবে।

এই চারটি রেক (ট্রেন বডি) দিয়ে মোট ৮ জোড়া ট্রেন পরিচালনা করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।  এর মধ্যে ঢাকা-যশোর-খুলনা রুটে চারটি, ঢাকা-ফরিদপুর-দর্শনা রুটে দুইটি, ঢাকা-গোপালগঞ্জ-গোবরা রুটে একটি এবং ঢাকা-বেনাপোল রুটে একটি ট্রেন চলাচল করবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে সদরদপ্তরে পাঠানো রেলওয়ে (পশ্চিমাঞ্চল) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, খুলনা-ঢাকা রুটে প্রথম ট্রেনটি খুলনা থেকে ৬টায় ছেড়ে ঢাকায় আসবে সকাল ৯ টায় এবং ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়ে পৌঁছাবে দুপুর সাড়ে ১২টায়।

অন্যদিকে ঢাকা-খুলনা রুটে প্রথম ট্রেনটি ঢাকা থেকে ৬টায় ছেড়ে খুলনায় আসবে সকাল ৯টায় এবং ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৯ টায় খুলনা থেকে ছেড়ে গিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে দুপুর সাড়ে ১২টায়।

খুলনা-ঢাকা রুটে তৃতীয় ট্রেনটি ঢাকা থেকে দুপুর ১টায় খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়ে পৌঁছাবে বিকাল ৪টায়। আর ফিরতি ট্রেনটি রাত সাড়ে ৭টায় খুলনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়ে পৌঁছাবে সকালে সাড়ে দশটায়।

চতুর্থ ট্রেনটি খুলনা থেকে ১২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং ঢাকায় পৌঁছাবে বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিটে।  ঢাকা থেকে দুপুর একটায় ছেড়ে গিয়ে খুলনায় পৌঁছাবে বিকাল ৪ টায়।

আর ঢাকা-বেনাপোল রুটে বেনাপোল এক্সপ্রেস সকাল ১০ টায় ঢাকা থেকে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়ে পৌঁছাবে দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে এবং বেনাপোল থেকে দুপুর ৩ টায় ছেড়ে গিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে।

ঢাকা-খুলনা রুটের মতো ঢাকা-দর্শনা রুটে ট্রেন থাকছে দুইটি। ঢাকা-দর্শনা রুটে প্রথম ট্রেনটি দর্শনা থেকে সকাল সাতটায় ছেড়ে ঢাকা পৌঁছাবে ১২টায় এবং ঢাকা থেকে দুপুর ১টায় ছেড়ে দিয়ে দর্শনায় পৌঁছাবে বিকাল ৪টায়।

দ্বিতীয় ট্রেনটি ঢাকা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টায় ছেড়ে গিয়ে দর্শনায় পৌঁছাবে ৯টা ৪০ মিনিটে এবং দর্শনা থেকে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে পরদিন সকাল ৫ টায়।

আর ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের গোবরা রুটের ট্রেনটি সকাল ৬টায় ছেড়ে এসে ঢাকায় পৌঁছাবে সকাল সাড়ে আটটায়। আর ঢাকা থেকে সন্ধ্যা ৬টায় ছেড়ে গিয়ে রাত সাড়ে ৮টায় গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে।

এই ট্রেনগুলোর জন্যে যশোরের পদ্মবিলা স্টেশন থেকে কোটচাঁদপুর, কোটচাঁদপুর-যশোর, পদ্মবিলা-খুলনা রুটে শাটল ট্রেনের মাধ্যমে অন্য এলাকার যাত্রীদের সুবিধা দিবে রেলওয়ে।

সাতক্ষীরায় রেলের দাবী

বেনাপোল-সাতক্ষীরা-সুন্দরবন রেলসংযোগ সাতক্ষীরাবাসী দীর্ঘ্য দিনের দাবী। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুিত থাকার পরেও সে দাবী পূরণ হয়নি। দাবী আদায়ে জাসদ-বাসের মতো রাজৈতিক দলের পাশাপাশি সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছে।